অধিকারের লড়ায়
লেখাঃ হৃদয় প্রধান
কোন সে দেশে বসত করি, কোন সে অচিন জামানায়,
নিজের দেশেই অধিকার পেতে করতে হয় লড়ায়।
অধিকারে'তে ছিলনা কোন রাজনৈতিক অংশ, রেশ |
তবুও হায় জুড়িয়ে দিলো রাজাকারের কোন সে ব্যাশ ।
তবুও হায় শুনতে হয় স্বাধীন দেশের রাজাকার
কে যে বলেছে ? জানতে পারি আমাদের গণ-সরকার।
এ'সেই লাজ কোথায় রাখবে আমাদের এই গণ-জাতি ?
অধিকারের লড়ায়ে আজ আমরা রাজাকারের নাতি।
সেই ধারেতে মন ভারেতে ছাত্র সমাজ হয়ে অম্লান
তাইতে আজ ছাত্র সমাজ লাজে দেয় এই স্লোগান,
আমি কে ? তুমি কে ? রাজাকার || রাজাকার ||
কে বলছে ? কে বলেছে ? স্বৈরাচার || স্বৈরাচার ||
শুনেই বর্ষে ওঠে জানোয়ারের ঐ হিংস্র দলগুলো,
মিথ্যার সাথে হাত বেঁধেছে ভাবছে না-কো সত্য গুলো।
মিথ্যা পথের অন্যায়ে সাথে দিচ্ছে যেন হারিয়ে হুশ
কোন সে বলে চালিয়ে লাঠি নির্বিচারে মারছে মানুষ,
বাদ দিচ্ছে না ছাত্রীদের , তাদের সাথে ছিল পুলিশ,
নির্বিচারে প্রাণ হারিয়েছে সমাজের আলোর নিবিশ।
কভু হয় নি দল জানোয়ারের রক্ত পিপাসার লাজ,
এতেও যায় নি-কো থামানো উত্তাল সেই ছাত্র সমাজ।
পথ কঠিন হলেও মিথ্যা সদা হালকা, সত্যই ভার,
সত্য সদাই হবেই জয়ী, অবশ্য মিথ্যার হবে হার।
শুনেছো কভু, সত্যকে যায় কোন ভাবেই হাকে দমানো ?
বীর বলের ছাত্র সমাজ বেঁধেছে দল, যাবে না কমানো।
গড়বে এই সমাজটাকে, ভাঙ্গবে শত বাঁধা, পাহাড়,
অধিকারের লড়ায়ে যত লাগুক দিবে রক্ত আহার।
কোথায় আছো জানোয়ারে'রা আসো খেয়ে যাও রক্ত যত,
এ বার যেন তোমার সাথে নিয়ে যাবে অগণিত ক্ষত।
গর্জে উঠেছে ছাত্র সমাজ যাবে না-কো আর দমানো
উত্তাল ঢেউ আসছে তীরে, যাবে না ঢেউকে সামলানো।
স্বাক্ষী আছে পূর্ব ইতিহাস, স্বাক্ষী জ্বালাময়ী একাত্তর....
ভেঙ্গে দেবে, গুড়িয়ে দেবে ওই হাতির সহস্র শুর।
রুখতে গেলে রুখা যাবে না বীর বলের ছাত্র সমাজ
সত্যের জয় হবেই হবে নয়তো কাল, হয়তো আজ ।
হতেই হবে স্বৈরাচারের নাস, ফুটাতেই হবে ফুল
হটিয়ে সব আবর্জনা, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঐ ধূল।
পরিশেষে, হুংকারে এই বলতে চাই - বীরের দল...
সত্যকে আজ করতে জয় ছাত্র সমাজের লাগবে বল
কোথায় ওরে দামাল ছেলে সামাল দে এ প্রাণের দেশ
মিথ্যাটা আজ গুড়িয়ে দে গড়তে প্রাণের বাংলাদেশ ।

0 Comments